ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু, বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী আয়োজন নওগাঁর মহাদেবপুরে নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার জিন্দা পীরের মাজারে মানত শেষে নদীতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু মান্দার কৃতি সন্তান ইকবাল হাসান ৪৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ-২০২৬: নওগাঁয় প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন নওগাঁর রানীনগরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিন দস্যু গ্রেপ্তার, উদ্ধার মোটরসাইকেল-ছুরি-মোবাইল মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার ক্রাইম রুখতে ছাত্রীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান নওগাঁর পুলিশ সুপারের শহরে এআই নজরদারি, অপরাধ দমনে নতুন উদ্যোগ,স্মার্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থার পথে নওগাঁ নওগাঁয় জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তা দাবি নওগাঁয় আত্মহত্যা বলে চালানো হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন, স্বামীর স্বীকারোক্তি
নোটিশ :
সারাদেশে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা আজই যোগাযোগ করুন ০১৭১১৭২৯২২৪

নওগাঁয় মধ্যরাতে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৯০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

নওগাঁ জেলা পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার এবং দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুন পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির একটি ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে নতুন তথ্যের সন্ধান পায় নিয়ামতপুর থানা পুলিশ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ৭ জুন রাতে সন্দেহভাজন হামেদুল ইসলামকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
এরপর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল ৮ জুন মধ্যরাতের পর উপজেলার ৬ নম্বর পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। রাত ১২টা ৫ মিনিট থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন হামেদুল ইসলাম (৩৫) ও রশিদ (৪৪)। তাদের বাড়ি তুলার বাঐল গ্রামে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ট্রাক ও হাইএস মাইক্রোবাসযোগে গাঁজা এনে ওই বাড়ির দোতলা মাটির ভবনে মজুদ রাখা হতো। ভবনটি মূলত মাদকের গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এখান থেকে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে গাঁজা সরবরাহ করা হতো।
এছাড়া গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন, সীমান্ত ও অন্যান্য স্থান থেকে একাধিকবার গাঁজা সংগ্রহ করে সেখানে মজুদ রাখা হয়েছে। প্রতি ৩০ কেজি গাঁজা সংরক্ষণের জন্য বাড়ির মালিক হামেদুল ৫ হাজার টাকা করে পেতেন বলেও তারা জানিয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে নিয়ামতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক নির্মূলে আগামী দিনগুলোতে আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু, বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী আয়োজন

নওগাঁয় মধ্যরাতে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৯০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

আপডেট সময় ০৭:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

নওগাঁ জেলা পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার এবং দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুন পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির একটি ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে নতুন তথ্যের সন্ধান পায় নিয়ামতপুর থানা পুলিশ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ৭ জুন রাতে সন্দেহভাজন হামেদুল ইসলামকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
এরপর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল ৮ জুন মধ্যরাতের পর উপজেলার ৬ নম্বর পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। রাত ১২টা ৫ মিনিট থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন হামেদুল ইসলাম (৩৫) ও রশিদ (৪৪)। তাদের বাড়ি তুলার বাঐল গ্রামে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ট্রাক ও হাইএস মাইক্রোবাসযোগে গাঁজা এনে ওই বাড়ির দোতলা মাটির ভবনে মজুদ রাখা হতো। ভবনটি মূলত মাদকের গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এখান থেকে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে গাঁজা সরবরাহ করা হতো।
এছাড়া গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন, সীমান্ত ও অন্যান্য স্থান থেকে একাধিকবার গাঁজা সংগ্রহ করে সেখানে মজুদ রাখা হয়েছে। প্রতি ৩০ কেজি গাঁজা সংরক্ষণের জন্য বাড়ির মালিক হামেদুল ৫ হাজার টাকা করে পেতেন বলেও তারা জানিয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে নিয়ামতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক নির্মূলে আগামী দিনগুলোতে আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।”