ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু, বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী আয়োজন নওগাঁর মহাদেবপুরে নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার জিন্দা পীরের মাজারে মানত শেষে নদীতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু মান্দার কৃতি সন্তান ইকবাল হাসান ৪৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ-২০২৬: নওগাঁয় প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন নওগাঁর রানীনগরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিন দস্যু গ্রেপ্তার, উদ্ধার মোটরসাইকেল-ছুরি-মোবাইল মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার ক্রাইম রুখতে ছাত্রীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান নওগাঁর পুলিশ সুপারের শহরে এআই নজরদারি, অপরাধ দমনে নতুন উদ্যোগ,স্মার্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থার পথে নওগাঁ নওগাঁয় জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তা দাবি নওগাঁয় আত্মহত্যা বলে চালানো হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন, স্বামীর স্বীকারোক্তি
নোটিশ :
সারাদেশে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা আজই যোগাযোগ করুন ০১৭১১৭২৯২২৪

ধামইরহাটের তরুণীর অশ্লীল ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইলে যুবক গ্রেপ্তার

ধামইরহাট উপজেলার এক তরুণীর নগ্ন ও অশ্লীল ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর এলাকা থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ধামইরহাট থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধামইরহাট উপজেলার বাসিন্দা শাফিরুল ইসলাম থানায় অভিযোগ করেন যে, তার মেয়ের নগ্ন ও অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ধামইরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনাটি নওগাঁ জেলা পুলিশের নজরে এলে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়।
পরে ধামইরহাট থানার একটি বিশেষ আভিযানিক দল গত ৮ জুন টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আলিফ হোসেন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার চরবিরসিংহ গ্রামের আজহারুল ইসলামের ছেলে।
গ্রেপ্তারের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করে তল্লাশি চালানো হয়। পুলিশ জানায়, মোবাইল ফোনে মামলার ভিকটিমের অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া আরও তিন নারীর (ছদ্মনাম রুমা, নিপা ও হালিমা) অশ্লীল ছবি ও ভিডিওও উদ্ধার করা হয়েছে। এমনকি তার স্ত্রীর ব্যক্তিগত ভিডিওও মোবাইলে সংরক্ষিত ছিল বলে তদন্তে জানা যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত স্বীকার করেছে যে, সে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তরুণীদের সঙ্গে পরিচয় গড়ে তুলত। পরে কৌশলে তাদের ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ছবি-ভিডিও সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করত এবং সেগুলো ব্যবহার করে ভিকটিমদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করত।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ও সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
নওগাঁ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি, অনলাইন হয়রানি এবং সাইবার অপরাধের মতো ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু, বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী আয়োজন

ধামইরহাটের তরুণীর অশ্লীল ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইলে যুবক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:০৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

ধামইরহাট উপজেলার এক তরুণীর নগ্ন ও অশ্লীল ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর এলাকা থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ধামইরহাট থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধামইরহাট উপজেলার বাসিন্দা শাফিরুল ইসলাম থানায় অভিযোগ করেন যে, তার মেয়ের নগ্ন ও অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ধামইরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনাটি নওগাঁ জেলা পুলিশের নজরে এলে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়।
পরে ধামইরহাট থানার একটি বিশেষ আভিযানিক দল গত ৮ জুন টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আলিফ হোসেন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার চরবিরসিংহ গ্রামের আজহারুল ইসলামের ছেলে।
গ্রেপ্তারের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করে তল্লাশি চালানো হয়। পুলিশ জানায়, মোবাইল ফোনে মামলার ভিকটিমের অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া আরও তিন নারীর (ছদ্মনাম রুমা, নিপা ও হালিমা) অশ্লীল ছবি ও ভিডিওও উদ্ধার করা হয়েছে। এমনকি তার স্ত্রীর ব্যক্তিগত ভিডিওও মোবাইলে সংরক্ষিত ছিল বলে তদন্তে জানা যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত স্বীকার করেছে যে, সে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তরুণীদের সঙ্গে পরিচয় গড়ে তুলত। পরে কৌশলে তাদের ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ছবি-ভিডিও সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করত এবং সেগুলো ব্যবহার করে ভিকটিমদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করত।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ও সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
নওগাঁ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি, অনলাইন হয়রানি এবং সাইবার অপরাধের মতো ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।