আসন্ন নওগাঁ পৌরসভা নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক আলমগীর কবির বাবু। এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান। তাঁর প্রার্থিতার ঘোষণাকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আলমগীর কবির বাবু ইউনাইটেড প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য। ১৯৮৮ সালে নওগাঁ শহরের কোমাইগাড়ি এলাকায় একটি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্ট্যাম্প বিক্রির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এ ছাড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন, কোমাইগাড়ি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, কমল সংসদ (বালুডাঙ্গা বাস টার্মিনাল) এবং নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের কর্মকাণ্ডেও তাঁর অংশগ্রহণ রয়েছে।
আলমগীর কবির বাবু মনে করেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করা। দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ড ও এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে আলমগীর কবির বাবু বলেন, “আমি ১ নম্বর ওয়ার্ডের সন্তান। দল-মত, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে এলাকার সব মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। নির্বাচিত হলে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ নাগরিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করব।”

তিনি আরও বলেন, মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধ, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা সহজলভ্য করাও তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ আলমগীর কবির বাবুর সামাজিক সম্পৃক্ততা ও এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। উকিলপাড়া মহল্লার বাসিন্দা তাইজুল ইসলাম তাজু বলেন, “আলমগীর কবির বাবুকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। তিনি সর্বসাধারণের সঙ্গে মিশে চলেন। তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে এলাকার রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ মাদক ও ইভটিজিংয়ের মতো সামাজিক সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা।”
স্থানীয় এক স্কুলশিক্ষক বলেন, এলাকায় রাস্তাঘাট, ড্রেন, সড়কবাতি ও বর্জ্য নিষ্কাশনের মতো কিছু মৌলিক সমস্যা রয়েছে। নির্বাচনের সময়ের পাশাপাশি সারা বছর মানুষের পাশে থাকবেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সচেষ্ট থাকবেন—এমন জনপ্রতিনিধিই তাঁদের প্রত্যাশা।